খুঁজুন
শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

শেরপুর–ময়মনসিংহ সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
শেরপুর–ময়মনসিংহ সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযান

Oplus_16908288

**শেরপুর–ময়মনসিংহ সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযান

বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক**

ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ শেরপুর ও ময়মনসিংহ সীমান্তে গত ২০ ও ২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পৃথক পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার লাওচাপাড়া, জোলগাঁও, ঝিনাইগাতী উপজেলার বালিঝুড়ি, এবং ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার লক্ষীকুড়া, ধোবাউড়া উপজেলার ভূইয়াপাড়া সীমান্ত এলাকা থেকে চোরাকারবারীদের অভিনব কৌশলে পাচারচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় টহলরত বিজিবি সদস্যরা।

অভিযান চলাকালে ভারতীয় জিলেট ব্লেড, নেভিয়া সফট ক্রিম, জনসন বেবি ক্রিম, স্কিন শাইন ক্রিম, ডাব সাবান, কম্বল, প্যান্টের কাপড়, বাংলাদেশী কুইচ্চা মাছসহ একটি গরু আটক করা হয়।

আটককৃত এসব ভারতীয় চোরাচালানী মালামালের সর্বমোট সিজার মূল্য ২৪,০৭,৩৫০ টাকা (চব্বিশ লক্ষ সাত হাজার তিনশত পঞ্চাশ) বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৩৯ বিজিবি জানায়, তারা ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্ত রক্ষায় দিনরাত ২৪ ঘণ্টা জাগ্রত থেকে দায়িত্ব পালন করছে। মাদক, চোরাচালান এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজিবির এই সফল অভিযানে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিআরটিএ ময়মনসিংহের মোবাইল কোর্টে ২৯,৫০০ টাকা জরিমানা আদায়, যাত্রীদের স্বস্তি প্রকাশ

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার ময়মনসিংহ।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
বিআরটিএ ময়মনসিংহের মোবাইল কোর্টে ২৯,৫০০ টাকা জরিমানা আদায়, যাত্রীদের স্বস্তি প্রকাশ

Oplus_131072

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও স্বস্তির পরিবেশে ঈদ ফেরত যাত্রীসেবা:
বিআরটিএ ময়মনসিংহের মোবাইল কোর্টে ২৯,৫০০ টাকা জরিমানা আদায়, যাত্রীদের স্বস্তি প্রকাশ

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার।

ময়মনসিংহ, ৪ এপ্রিল:
ঈদ ফেরত যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ ময়মনসিংহ নিরলসভাবে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) নগরীর দিঘারকান্দা ঢাকা বাইপাস এলাকায় বিআরটিএ ময়মনসিংহের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ইফফাত হাশেম এর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলায় মোট ২৯,৫০০ (উনত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

মোবাইল কোর্টে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, পণ্যবাহী পিকআপ ও ট্রাকে যাত্রী পরিবহন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এছাড়া বিআরটিএ কর্মকর্তারা নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে — আন্তঃজেলা পাটগুদাম ব্রিজ টার্মিনাল, টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড, মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড ও শম্ভুগঞ্জ রেলগেট এলাকায় যাত্রীদের সাথে কথা বলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সমস্যার সমাধান করেন।

মনিটরিং কার্যক্রমে দেখা যায়, অধিকাংশ বাস কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা অনুসরণ করছে এবং যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে না। বাস কাউন্টার ও যানবাহনগুলোতেও ভাড়ার তালিকা দৃশ্যমান রয়েছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

অভিযান চলাকালে বাস চালক, কর্মচারী ও যাত্রীদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি যাচাই করা হয়। যাত্রীরা জানান, অতিরিক্ত ভাড়ার কোনো অভিযোগ নেই এবং বিআরটিএ’র কার্যক্রমে তারা স্বস্তি ও নিরাপত্তা বোধ করছেন।

এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর দায়িত্ব পালনের কারণে নগরীর সড়কগুলোতে যানজট তুলনামূলকভাবে কম ছিল, যা ঈদ ফেরত যাত্রীদের যাত্রাপথকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করেছে।

বিআরটিএ’র এই তৎপরতা ঈদের পূর্ব থেকে শুরু হয়ে এখনো পর্যন্ত চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ পরবর্তী সময়জুড়েও এ ধরনের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।

রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ চরহরিপুর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে এক সময়ের দরিদ্র রিকশাচালকের দুই ছেলে মাত্র দুই-তিন বছরের মধ্যে কোটিপতির কাতারে পৌঁছেছে, যা এলাকাবাসীর কাছে বিস্ময়ের ও রহস্যের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রিকশাচালক আজিজুলের দুই ছেলে—বড় ছেলে আজহারুল ও ছোট ছেলে আনারুল—রহস্যজনকভাবে কয়েক বছরের মধ্যেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। অথচ মাত্র কয়েক বছর আগেও তাদের পরিবার দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত ছিল।

সংসারের অভাব থেকে রাতারাতি সম্পদের পাহাড়

আজহারুল আগে বাসের হেল্পার ছিলেন, আর আনারুল ছিলেন একজন বাউন্ডুলে, নেশাগ্রস্ত যুবক, যিনি একাধিকবার জেলও খেটেছেন। তাদের পরিবার এতটাই অভাবের মধ্যে ছিল যে তাদের মা একসময় এনজিও থেকে লোন নিয়ে তা পরিশোধ করতে না পারায় জেল খাটতে বাধ্য হন। সেই একই পরিবারের ছেলেরা কীভাবে এত দ্রুত কোটিপতি হলো, তা এখন এলাকাবাসীর প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চার-পাঁচ বছর আগে ঋণের বোঝা নিয়ে গ্রাম ছাড়তে হয়েছিল তাদের। তখন তাদের একমাত্র সম্পদ ছিল তাদের দাদা দুখু মিয়ার রেখে যাওয়া মাত্র ২.৫ শতাংশ জমি। কিন্তু আজ, এই পরিবার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক!

অল্প সময়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বর্তমানে আজহারুল ও আনারুলের নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পত্তির খবর পাওয়া গেছে, যা তারা মাত্র দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যেই ক্রয় করেছেন—

✅ শম্ভুগঞ্জের জুয়েল এসপির বাড়ির পাশে পাপ্পু নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ শতাংশ জমি
✅ মেইন রোডে সাধন নামের এক ভ্যানচালকের কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি
✅ কাশেম সরকারের কাছ থেকে বেশ কিছু জমি
✅ গুলু মিয়ার কাছ থেকে ৪৫ শতাংশ জমি
✅ হারুন নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে অতিরিক্ত কিছু জমি
✅ মেয়ের বিয়েতে দিয়েছেন ২০০ শতাংশ জমি
✅ ঢাকায় কিনেছেন একটি ফ্ল্যাট
✅ ময়মনসিংহ শহরের মধ্যেও একটি বাড়ি কিনেছেন
✅ ড্রাম ট্রাক ও বেকু ক্রয় করেছেন
✅ মাছের ফিশারি গড়ে তুলেছেন
✅ ছেলেদের শ্বশুরবাড়িতেও কিনেছেন প্রচুর পরিমাণ জমি ও বাড়ি

স্থানীয়দের দাবি, আজহারুল ও আনারুল কখনো বাজার থেকে মাছ কেনেন না, বরং তারা বিলের মাছই নিজেদের দখলে নিয়ে নেন। এমনকি তারা এলাকার সব মাছ বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

প্রশ্ন উঠছে আয়ের উৎস নিয়ে

তাদের এত দ্রুত ধনী হওয়ার রহস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের আয়ের উৎস কী? তারা কী ব্যবসা করে? আয়কর ও ভ্যাট দিচ্ছে কি না? এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দাবি করছেন, আজহারুল ও আনারুলের আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং সম্পদের বৈধতা তদন্ত করে দেখা হোক। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে, তারা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেছে কি না, তা তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

Oplus_131072

মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

আওয়ামী লীগের ছত্রছায়া থেকে বিএনপি-যুবদলের অসাধু নেতাদের সঙ্গে আঁতাত, চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে সারাফত আলী!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য যেন শেষ হওয়ার নাম নেই। অতীতে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চাঁদাবাজির একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মোহাম্মদ সারাফত আলী (পিতা: নইমুদ্দিন, ঠিকানা: পাড়া টুঙ্গি, দলুয়া বিল) এখনো সেই একই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এবার সে কৌশল বদলেছে—পুরনো রাজনৈতিক রং বদলে বিএনপি ও যুবদলের কিছু অসাধু নেতাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে আবারও পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছে।

একসময় আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায়, এখন বিএনপি-যুবদলের অসাধু নেতাদের সঙ্গে!

বিল্লাল হোসেন সরকার, ইদু, যদু, আরব আলী, মনিরের মতো বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত সারাফত আলী দীর্ঘদিন ধরে মুক্তাগাছার পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের মদদে সে তখন অবৈধভাবে অর্থ আদায়, শ্রমিক ও পরিবহন মালিকদের ভয়ভীতি দেখানোসহ নানা অপকর্ম করত। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় টিকে থাকতে এবার সে বিএনপি ও যুবদলের কিছু অসাধু নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক অভিযোগ করেছেন, সারাফত আলী এখন বিএনপির প্রভাবশালী কিছু নেতার ছত্রছায়ায় থেকে ঠিক আগের মতোই চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

পরিবহন খাতজুড়ে আতঙ্ক, সাধারণ শ্রমিক-মালিকরা বিপর্যস্ত

মুক্তাগাছার পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা বলছেন, সারাফত আলী ও তার গডফাদারদের কারণে তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। চাঁদা না দিলে গাড়ি চলতে দেওয়া হয় না, শ্রমিকদের মারধর করা হয়, এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

একজন পরিবহন শ্রমিক বলেন, “আমরা খেটে খাওয়া মানুষ, সারাদিন গাড়ি চালিয়ে যা আয় করি, তার বড় একটা অংশ চাঁদা দিতে হয়। না দিলে মারধর করা হয়, গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই অবস্থায় আমরা কোথায় যাব?”

প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এই চাঁদাবাজি চললেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেকে মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই সারাফত আলীর মতো চাঁদাবাজরা বারবার রঙ বদলে টিকে যাচ্ছে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকার পরিবর্তন হলে শুধু দল বদলায়, কিন্তু চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না। প্রশাসন যদি চায়, একদিনেই এসব বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু তারা নিরব ভূমিকা পালন করছে!”

জনদাবি: অবিলম্বে চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করুন!

মুক্তাগাছার সাধারণ জনগণ, পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত সারাফত আলীসহ তার চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে মুক্তাগাছার পরিবহন সেক্টর এক শ্রেণির চাঁদাবাজদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়বে, যা সাধারণ মানুষের চলাচল ও শ্রমজীবী মানুষের জীবিকাকে আরও কঠিন করে তুলবে।

প্রশাসন কি ব্যবস্থা নেবে, নাকি রাজনৈতিক আশ্রয়ে চাঁদাবাজরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে? মুক্তাগাছার মানুষ এখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে।

জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

মোঃ মাফিজুল ইসলাম জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

ফা‌রহানা আক্তার, জয়পুরহাট : কেন্দ্র ঘোষিত নতুন কমিটি নিয়ে জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দু’পক্ষ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী পালন করেছে।কেন্দ্র ঘুষিত নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র সমন্বয়করা বুধবার দুপুরের জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
এসময় নতুন কমিটির আহ্বায়ক হাসিবুল হক সানজিদ, সদস্য সচিব মুবাশীর আলী শিহাব, সিনিয়র যুগ্ম সচিব নিয়ামুর রহমান নিবিড়,যুগ্ম সদস্য সচিব মোবাশ্বের হোসেন,মুখ্য সংগঠক এহছান আহমেদ নাহিদ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্র ঘুষিত নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত কমিটি একতরফা যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। আন্দোলনের সময় যারা আমাদের সাথে ছিলেন তারা এই কমিটিতে স্থান পেয়েছে।
অপরদিকে নতুন কমিটিতে পদবঞ্চিতরা শহরের শহীদ ডাঃ আবুল কাশেম ময়দানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধন চালাকালে বক্তব্য রাখেন, ছাত্র আন্দলোনের প্রতিনিধি বোরহান উদ্দীন, আশরাফুল ইসলাম,মোহাম্মদ সাকিল,রাকিব হাসান,শাহিন আলম,নাঈম হোসেন, সবুজ হোসেনসহ প্রমুখ।

এসময় তারা অভিযোগ করেন বিগত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যারা মাঠে ছিলেন না তারাই এই নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। এমনকি ছাত্রলীগ নেতা এই কমিটিতে স্থান পাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করে আন্দোলনের শরীক সকলকে সাথে নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করার আহ্বান জানান।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সম্মাননা পেলেন সূর্যসেনা ড্যান্স একাডেমি— উচ্ছ্বাসে ভরপুর পুরো আয়োজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১:৩০ পূর্বাহ্ণ
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সম্মাননা পেলেন সূর্যসেনা ড্যান্স একাডেমি— উচ্ছ্বাসে ভরপুর পুরো আয়োজন

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সম্মাননা পেলেন সূর্যসেনা ড্যান্স একাডেমি— উচ্ছ্বাসে ভরপুর পুরো আয়োজন

ময়মনসিংহে এক বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। শনিবার সন্ধ্যায় জমজমাট স্টেজে শিল্প-সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখায় সূর্যসেনা ড্যান্স একাডেমি-কে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ এবং সংগঠনের সদস্যরা। সবার অংশগ্রহণে সম্মাননা গ্রহণের মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর। স্টেজে দাঁড়িয়ে একাডেমির প্রতিনিধিরা সম্মাননা গ্রহণ করেন এবং একসঙ্গে ছবি তোলেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও অংশ নেয়। বক্তারা বলেন সংস্কৃতিচর্চা সমাজকে আলোকিত করে এবং তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক ও মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে।

সন্ধ্যার পুরো আয়োজনটি ছিল সংগীত, নৃত্য ও সম্মাননার আনন্দঘন সমন্বয়ে দারুণ সফল। সূর্যসেনা ড্যান্স একাডেমির সদস্যরা সবাই এ সম্মাননায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

মোমেনশাহী জামিয়ার ছাত্র মুয়াজকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম—চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি এলাকাবাসীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মোমেনশাহী জামিয়ার ছাত্র মুয়াজকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম—চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি এলাকাবাসীর

 

মোমেনশাহী জামিয়ার ছাত্র মুয়াজকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম—চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি এলাকাবাসীর

ময়মনসিংহের মোমেনশাহী এলাকায় মিশকাত জামাতের পাঁচজন ছাত্রের ওপর সন্ত্রাসীদের বর্বর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে সুতিয়াখালী বাজারের দক্ষিণ পাশে জলিল ডাক্তারের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত হন জামিয়া ফয়জুর রহমান (রহ.) বড় মসজিদের মিশকাত জামাতের ছাত্র, জামিয়ার পরিচালক আল্লামা আব্দুল হক দা.বা.-এর নাতি হাফেজ আজিজুল হক মুয়াজ।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ছাত্র মুয়াজের সঙ্গে ওইদিন বেড়াতে গিয়েছিলেন— মোঃ মিজানুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, ফুয়াদ হাসানসহ মোট পাঁচজন ছাত্র। তারা মিশকাত জামাতের আরও এক ছাত্র নাঈম হাসানের বাড়ি থেকে ফেরার পথে সশস্ত্র হামলার শিকার হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাদের বহনকারী অটো রিকশাটির গতিরোধ করে ১০–১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী। হামলাকারীদের নেতৃত্ব দেয় হাফেজ শহীদুল ইসলামের ছেলে আম্মার এবং তার সহযোগী সুতিয়াখালী এলাকার হুমায়ুনের ছেলে আলিফ। মুহূর্তের মধ্যেই সন্ত্রাসীরা ছাত্রদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। বিশেষ করে মুয়াজকে রাস্তার পাশে ধানক্ষেতে ফেলে ওপর্যুপরি কোপাতে থাকে, এতে তিনি গুরুতর জখম হন।♦

ছাত্রদের চিৎকারে এলাকাবাসী ও পথচারীরা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গুরুতর আহত মুয়াজকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। অন্যান্য আহত ছাত্ররা চিকিৎসা নিয়ে মাদ্রাসায় ফেরত গেছেন।

বর্তমানে হাফেজ আজিজুল হক মুয়াজ ঢাকায় চিকিৎসাধীন।
দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।

  • পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে—
    চিহ্নিত এই সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হোক।
    কারণ, দেশের এই সংবেদনশীল সময়ে কোনো অস্থিতিশীলতা বা পরিস্থিতি জটিল হওয়া আমরা চাই না।

বীরগঞ্জে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
বীরগঞ্জে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন

বীরগঞ্জে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন
রনজিৎ সরকার রাজ প্রতিনিধি:দেশিজাত-আধুনিক প্রযুক্তি, প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী: ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বণাঢ্য র‍্যালী বের হয়। র‍্যালিটি পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনীতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডঃ মোঃ হারিয়ার মান্নান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আহমেদ বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আধুনিক প্রযুক্তি, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ও খামার ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই প্রদর্শনী খামারিদের হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা: মোঃ শাহারিয়ার মান্নান বলেন, জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদন, গবাদি পশুর স্বাস্থ্যসেবা ও উন্নত জাতের বিস্তারে এই সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খামারিরা যাতে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে লাভবান হতে পারে-প্রাণিসম্পদ দপ্তর সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা ভেটেরিনারি অফিসার মোছা: আশিকা আকবর তিশা বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল গফুর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার আহসান হাবীব সরকার, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফজল ইবনে কাউসার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জামিল উদ্দীন মন্ডল, সমবায় কর্মকর্তা আহাদ আলী মন্ডল, এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো: হায়দার আলী সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে প্রদর্শনীতে স্থানীয় খামারিদের উৎপাদিত দুধ, ডিম, মাংস, পোল্ট্রি, গবাদিপশু এবং আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। দিনব্যাপী প্রদর্শনী দেখতে ছাত্র/ছাত্রী সহ নানা বয়সী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।