খুঁজুন
সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ৩ চৈত্র, ১৪৩১

ময়মনসিংহে এনএসআই-এর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান: অবৈধ ভারতীয় পণ্য ও যৌন উত্তেজক ওষুধ উদ্ধার

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টোর ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রধান। 
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ
ময়মনসিংহে এনএসআই-এর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান: অবৈধ ভারতীয় পণ্য ও যৌন উত্তেজক ওষুধ উদ্ধার

ময়মনসিংহে এনএসআই-এর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান: অবৈধ ভারতীয় পণ্য ও যৌন উত্তেজক ওষুধ উদ্ধার

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টোর ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রধান।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের জে সি গুহ রোড, পুরাতন মেডিকেল গেট সংলগ্ন “জননী পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিস” থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চুরাই (অবৈধ) কম্বল, থ্রি-পিস, নকল চুল ও যৌন উত্তেজক ওষুধ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এনএসআই-এর নেতৃত্বে অভিযান

জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), ময়মনসিংহ-এর তথ্যের ভিত্তিতে এবং তত্ত্বাবধানে র‍্যাব-১৪ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। ১৬ মার্চ ২০২৫, রাত ১১টা থেকে ভোর ২টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত অবৈধ পণ্যের বিবরণ

অভিযানে পাওয়া যায়—
৫টি বড় বস্তা ভারতীয় চুরাই কম্বল
বিপুল পরিমাণ থ্রি-পিস ও অন্যান্য জামা-কাপড়
নকল চুলের প্যাকেট
কয়েক কার্টুন যৌন উত্তেজক ওষুধ

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব অবৈধ পণ্য “জননী পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিস”-এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচারের প্রস্তুতি চলছিলো

আইনগত ব্যবস্থা

উদ্ধারকৃত সব মালামাল র‍্যাব-১৪, ময়মনসিংহ-এর উপস্থিতিতে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

এনএসআই ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অবৈধ ভারতীয় পণ্য চোরাচালান ও যৌন উত্তেজক ওষুধের ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে

গোয়েন্দা ও সেনাবাহিনীর অভিযানে দিশেহারা ভেজাল ব্যবসায়ীরা ময়মনসিংহে ভেজাল সেমাই কারখানায় অভিযান, জরিমানা ও ধ্বংস অভিযান

প্রতিবেদন: ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ বিলাল হোসেন (মানিক) 
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
গোয়েন্দা ও সেনাবাহিনীর অভিযানে দিশেহারা ভেজাল ব্যবসায়ীরা ময়মনসিংহে ভেজাল সেমাই কারখানায় অভিযান, জরিমানা ও ধ্বংস অভিযান

গোয়েন্দা ও সেনাবাহিনীর অভিযানে দিশেহারা ভেজাল ব্যবসায়ীরা
ময়মনসিংহে ভেজাল সেমাই কারখানায় অভিযান, জরিমানা ও ধ্বংস অভিযান

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর ঈশ্বরদিয়া এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ময়মনসিংহের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, সদর উপজেলা প্রশাসন ও বিএসটিআইয়ের যৌথ অভিযানে ধরা পড়লো ভেজাল সেমাই কারখানা। অস্বাস্থ্যকর, নোংরা পরিবেশে তৈরি মানহীন সেমাই উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগে কারখানার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানের সময় বেআইনি পন্থায় ব্যবহৃত প্যাকেটগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

গোয়েন্দা নজরদারিতে অসাধু ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক

গত তিনদিন আগে এই ভেজাল কারখানা নিয়ে একটি গোপন রিপোর্টের ভিত্তিতে এনএসআই গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। পর্যবেক্ষণের পর, আজ ০৯ মার্চ ২০২৫, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা ২০ মিনিট পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে এনএসআই-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে পুরো কারখানার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা

অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং নিশ্চিত করেন যে, কোনোভাবেই অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা পালাতে না পারে। সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, এবং অন্যান্য অসাধু ব্যবসায়ীরাও দ্রুত তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলে।

বেআইনি প্যাকেট পুড়িয়ে ধ্বংস

অভিযান শেষে বেআইনিভাবে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ প্যাকেট ও সামগ্রী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। স্থানীয় জনগণের সামনে এটি পুড়িয়ে ফেলা হয়, যাতে অন্য ভেজাল ব্যবসায়ীরা সতর্ক হয়।

এনএসআই-এর কড়া হুঁশিয়ারি

এনএসআই-এর কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন— এ ধরনের ভেজাল ও মানহীন খাদ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

অভিযান সম্পর্কে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,
“এতদিন আমরা জানতাম না, এই সেমাইগুলো এভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হয়। সেনাবাহিনীর অভিযানের কারণে এই কারখানার মালিকরা পালানোর সুযোগ পায়নি। আমরা চাই, এ ধরনের অভিযান চলতে থাকুক।”

শেষ কথা

এই অভিযানের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো যে, গোয়েন্দা সংস্থা ও সেনাবাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ভেজাল ব্যবসায়ীদের আর রেহাই নেই। এনএসআই, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সংস্থার এই যৌথ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন: ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ বিলাল হোসেন (মানিক) 

রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ চরহরিপুর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে এক সময়ের দরিদ্র রিকশাচালকের দুই ছেলে মাত্র দুই-তিন বছরের মধ্যে কোটিপতির কাতারে পৌঁছেছে, যা এলাকাবাসীর কাছে বিস্ময়ের ও রহস্যের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রিকশাচালক আজিজুলের দুই ছেলে—বড় ছেলে আজহারুল ও ছোট ছেলে আনারুল—রহস্যজনকভাবে কয়েক বছরের মধ্যেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। অথচ মাত্র কয়েক বছর আগেও তাদের পরিবার দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত ছিল।

সংসারের অভাব থেকে রাতারাতি সম্পদের পাহাড়

আজহারুল আগে বাসের হেল্পার ছিলেন, আর আনারুল ছিলেন একজন বাউন্ডুলে, নেশাগ্রস্ত যুবক, যিনি একাধিকবার জেলও খেটেছেন। তাদের পরিবার এতটাই অভাবের মধ্যে ছিল যে তাদের মা একসময় এনজিও থেকে লোন নিয়ে তা পরিশোধ করতে না পারায় জেল খাটতে বাধ্য হন। সেই একই পরিবারের ছেলেরা কীভাবে এত দ্রুত কোটিপতি হলো, তা এখন এলাকাবাসীর প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চার-পাঁচ বছর আগে ঋণের বোঝা নিয়ে গ্রাম ছাড়তে হয়েছিল তাদের। তখন তাদের একমাত্র সম্পদ ছিল তাদের দাদা দুখু মিয়ার রেখে যাওয়া মাত্র ২.৫ শতাংশ জমি। কিন্তু আজ, এই পরিবার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক!

অল্প সময়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বর্তমানে আজহারুল ও আনারুলের নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পত্তির খবর পাওয়া গেছে, যা তারা মাত্র দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যেই ক্রয় করেছেন—

✅ শম্ভুগঞ্জের জুয়েল এসপির বাড়ির পাশে পাপ্পু নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ শতাংশ জমি
✅ মেইন রোডে সাধন নামের এক ভ্যানচালকের কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি
✅ কাশেম সরকারের কাছ থেকে বেশ কিছু জমি
✅ গুলু মিয়ার কাছ থেকে ৪৫ শতাংশ জমি
✅ হারুন নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে অতিরিক্ত কিছু জমি
✅ মেয়ের বিয়েতে দিয়েছেন ২০০ শতাংশ জমি
✅ ঢাকায় কিনেছেন একটি ফ্ল্যাট
✅ ময়মনসিংহ শহরের মধ্যেও একটি বাড়ি কিনেছেন
✅ ড্রাম ট্রাক ও বেকু ক্রয় করেছেন
✅ মাছের ফিশারি গড়ে তুলেছেন
✅ ছেলেদের শ্বশুরবাড়িতেও কিনেছেন প্রচুর পরিমাণ জমি ও বাড়ি

স্থানীয়দের দাবি, আজহারুল ও আনারুল কখনো বাজার থেকে মাছ কেনেন না, বরং তারা বিলের মাছই নিজেদের দখলে নিয়ে নেন। এমনকি তারা এলাকার সব মাছ বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

প্রশ্ন উঠছে আয়ের উৎস নিয়ে

তাদের এত দ্রুত ধনী হওয়ার রহস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের আয়ের উৎস কী? তারা কী ব্যবসা করে? আয়কর ও ভ্যাট দিচ্ছে কি না? এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দাবি করছেন, আজহারুল ও আনারুলের আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং সম্পদের বৈধতা তদন্ত করে দেখা হোক। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে, তারা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেছে কি না, তা তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

Oplus_131072

মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

আওয়ামী লীগের ছত্রছায়া থেকে বিএনপি-যুবদলের অসাধু নেতাদের সঙ্গে আঁতাত, চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে সারাফত আলী!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য যেন শেষ হওয়ার নাম নেই। অতীতে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চাঁদাবাজির একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মোহাম্মদ সারাফত আলী (পিতা: নইমুদ্দিন, ঠিকানা: পাড়া টুঙ্গি, দলুয়া বিল) এখনো সেই একই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এবার সে কৌশল বদলেছে—পুরনো রাজনৈতিক রং বদলে বিএনপি ও যুবদলের কিছু অসাধু নেতাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে আবারও পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছে।

একসময় আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায়, এখন বিএনপি-যুবদলের অসাধু নেতাদের সঙ্গে!

বিল্লাল হোসেন সরকার, ইদু, যদু, আরব আলী, মনিরের মতো বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত সারাফত আলী দীর্ঘদিন ধরে মুক্তাগাছার পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের মদদে সে তখন অবৈধভাবে অর্থ আদায়, শ্রমিক ও পরিবহন মালিকদের ভয়ভীতি দেখানোসহ নানা অপকর্ম করত। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় টিকে থাকতে এবার সে বিএনপি ও যুবদলের কিছু অসাধু নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক অভিযোগ করেছেন, সারাফত আলী এখন বিএনপির প্রভাবশালী কিছু নেতার ছত্রছায়ায় থেকে ঠিক আগের মতোই চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

পরিবহন খাতজুড়ে আতঙ্ক, সাধারণ শ্রমিক-মালিকরা বিপর্যস্ত

মুক্তাগাছার পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা বলছেন, সারাফত আলী ও তার গডফাদারদের কারণে তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। চাঁদা না দিলে গাড়ি চলতে দেওয়া হয় না, শ্রমিকদের মারধর করা হয়, এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

একজন পরিবহন শ্রমিক বলেন, “আমরা খেটে খাওয়া মানুষ, সারাদিন গাড়ি চালিয়ে যা আয় করি, তার বড় একটা অংশ চাঁদা দিতে হয়। না দিলে মারধর করা হয়, গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই অবস্থায় আমরা কোথায় যাব?”

প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এই চাঁদাবাজি চললেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেকে মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই সারাফত আলীর মতো চাঁদাবাজরা বারবার রঙ বদলে টিকে যাচ্ছে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকার পরিবর্তন হলে শুধু দল বদলায়, কিন্তু চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না। প্রশাসন যদি চায়, একদিনেই এসব বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু তারা নিরব ভূমিকা পালন করছে!”

জনদাবি: অবিলম্বে চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করুন!

মুক্তাগাছার সাধারণ জনগণ, পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত সারাফত আলীসহ তার চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে মুক্তাগাছার পরিবহন সেক্টর এক শ্রেণির চাঁদাবাজদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়বে, যা সাধারণ মানুষের চলাচল ও শ্রমজীবী মানুষের জীবিকাকে আরও কঠিন করে তুলবে।

প্রশাসন কি ব্যবস্থা নেবে, নাকি রাজনৈতিক আশ্রয়ে চাঁদাবাজরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে? মুক্তাগাছার মানুষ এখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে।

জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

মোঃ মাফিজুল ইসলাম জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

ফা‌রহানা আক্তার, জয়পুরহাট : কেন্দ্র ঘোষিত নতুন কমিটি নিয়ে জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দু’পক্ষ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী পালন করেছে।কেন্দ্র ঘুষিত নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র সমন্বয়করা বুধবার দুপুরের জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
এসময় নতুন কমিটির আহ্বায়ক হাসিবুল হক সানজিদ, সদস্য সচিব মুবাশীর আলী শিহাব, সিনিয়র যুগ্ম সচিব নিয়ামুর রহমান নিবিড়,যুগ্ম সদস্য সচিব মোবাশ্বের হোসেন,মুখ্য সংগঠক এহছান আহমেদ নাহিদ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্র ঘুষিত নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত কমিটি একতরফা যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। আন্দোলনের সময় যারা আমাদের সাথে ছিলেন তারা এই কমিটিতে স্থান পেয়েছে।
অপরদিকে নতুন কমিটিতে পদবঞ্চিতরা শহরের শহীদ ডাঃ আবুল কাশেম ময়দানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধন চালাকালে বক্তব্য রাখেন, ছাত্র আন্দলোনের প্রতিনিধি বোরহান উদ্দীন, আশরাফুল ইসলাম,মোহাম্মদ সাকিল,রাকিব হাসান,শাহিন আলম,নাঈম হোসেন, সবুজ হোসেনসহ প্রমুখ।

এসময় তারা অভিযোগ করেন বিগত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যারা মাঠে ছিলেন না তারাই এই নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। এমনকি ছাত্রলীগ নেতা এই কমিটিতে স্থান পাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করে আন্দোলনের শরীক সকলকে সাথে নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করার আহ্বান জানান।

এডিশনাল ডিআইজি মো: কুতুব উদ্দিনকে ময়মনসিংহে স্বাগত – কাগজের আলো ও অলটাইম ক্রাইম নিউজ ২৪

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার ময়মনসিং বিভাগীয় প্রধান।
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
এডিশনাল ডিআইজি মো: কুতুব উদ্দিনকে ময়মনসিংহে স্বাগত – কাগজের আলো ও অলটাইম ক্রাইম নিউজ ২৪

এডিশনাল ডিআইজি মো: কুতুব উদ্দিনকে ময়মনসিংহে স্বাগত – কাগজের আলো ও অলটাইম ক্রাইম নিউজ ২৪

ময়মনসিংহ: খুলনা রেঞ্জ থেকে বদলি হয়ে এডিশনাল ডিআইজি মো: কুতুব উদ্দিন এখন ময়মনসিংহ বিভাগে ২ এপিবিএন-এর অধিনায়ক (সিও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কাগজের আলো ও অলটাইম ক্রাইম নিউজ ২৪ এর পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।

তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে ময়মনসিংহ বিভাগের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। নতুন কর্মস্থলে তিনি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

আমরা আশা করি, তিনি তার দায়িত্ব পালনে সফল হবেন এবং ময়মনসিংহবাসী আরও নিরাপদ থাকবেন। কাগজের আলো ও অলটাইম ক্রাইম নিউজ ২৪ তার মঙ্গল কামনা করছে।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কলা ভবনের শুভ উদ্বোধন।

এ এ এইচ সিয়াম,নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কলা ভবনের শুভ উদ্বোধন।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কলা ভবনের শুভ উদ্বোধন।

এ এ এইচ সিয়াম,নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত কলা ভবন- এর শুভ উদ্বোধন করেন বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

১৭ মার্চ ২০২৫ তারিখ সোমবার দুপুরে ভবনটির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘ভবনটি উদ্বোধনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জায়গার সংকট অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব হলো। কলা ভবনটি চালুর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্যতা বাড়বে এবং একাডেমিক কাজে গতিশীলতা অনেক বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশা করছি।’

উদ্বোধনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তপন কুমার সরকার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) মো. আশরাফুল আলম, পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. সাইফুল ইসলাম, শিউলিমালা হলের প্রভোস্ট ড. হাবিবা সুলতানা, অগ্নি-বীণা হলের প্রভোস্ট মো. হারুনুর রশিদ, দোলন-চাঁপা হলের প্রভোস্ট লাইলী আক্তার, বিভাগীয় ও দপ্তর প্রধানগণসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কলা ভবন উদ্বোধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. আনোয়ার হোসেন।

উল্লেখ্য দশ তলা ভীতের উপর দশতলা বিশিষ্ট নবনির্মিত কলা ভবন একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন। কলা ভবনটিতে প্রতি ফ্লোরে পাঁচটি করে ক্লাসরুম রয়েছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই ভবনের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

এ এ এইচ সিয়াম
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের দুর্নীতির রাজা: সাইফুল ইসলাম সাজুর কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার ময়মনসিং বিভাগ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের দুর্নীতির রাজা: সাইফুল ইসলাম সাজুর কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি!

Oplus_131072

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের দুর্নীতির রাজা: সাইফুল ইসলাম সাজুর কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি!

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য সহকারী সাইফুল ইসলাম সাজু, যিনি বর্তমানে সেনেটারি ইন্সপেক্টর পদে দায়িত্ব পালন করছেন, তার বিরুদ্ধে বিস্ময়কর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

সাইফুল ইসলাম সাজু, যিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত এবং মেয়র ইকরামুল হক টিটুর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত, সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ টাকা ও সরকারি ফিস থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তার দুর্নীতির পরিসর শুধু এখানেই থামেনি। তিনি সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় উপকরণ, যেমন সাবান ও খাদ্য সামগ্রী, হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করার বদলে তা নিজের পকেটে পুরেছেন।

এছাড়া, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, সাইফুল ইসলাম সাজু স্বাস্থ্য সহকারী পদ থেকে সেনেটারি ইন্সপেক্টর হিসেবে অবৈধভাবে পদোন্নতি পেয়ে ১৫ বছরে বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছেন। সিটি কর্পোরেশন থেকে ৮ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

তার বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ, তিনি তার আত্মীয়-স্বজন ও ছোট ভাইকে সরকারি চাকরির সুযোগ দিয়ে তাদের মাধ্যমে একাধিক স্থানে অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন। জামালপুর মাদারগঞ্জে ৫৫ লক্ষ টাকার একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি এবং কয়েকটি বিলাসবহুল গাড়ির মালিক, সাইফুল ইসলাম সাজু নিজের দুর্নীতির মাধ্যমে অবিশ্বাস্য সম্পত্তি সঞ্চয় করেছেন।

প্রশ্ন ওঠে, একজন সরকারি কর্মকর্তার ২৪ হাজার টাকা মাসিক বেতন দিয়ে কীভাবে এত বিশাল সম্পত্তি অর্জন সম্ভব?

এদিকে, ময়মনসিংহবাসীর দাবি, দ্রুতভাবে সাইফুল ইসলাম সাজুর দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে দুদক তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় এনে তার সমস্ত অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হোক।