খুঁজুন
শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ১৪ চৈত্র, ১৪৩১

ময়মনসিংহের “নিউ রূপ মহল আবাসিক হোটেল”-এ র‍্যাব ওএনএসআই এর অভিযান: মাদকসহ আটক ৭

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫, ৫:১১ পূর্বাহ্ণ
ময়মনসিংহের “নিউ রূপ মহল আবাসিক হোটেল”-এ র‍্যাব ওএনএসআই এর অভিযান: মাদকসহ আটক ৭

Oplus_131072

ময়মনসিংহের “নিউ রূপ মহল আবাসিক হোটেল”-এ র‍্যাব ওএনএসআই এর অভিযান: মাদকসহ আটক ৭

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রধান।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), ময়মনসিংহ-এর তথ্য ও তত্ত্বাবধানে র‍্যাব-১৪ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে। ২০ মার্চ ২০২৫ তারিখে রাত ১১:০০ থেকে ০১:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত এই অভিযানটি ময়মনসিংহ শহরের রেলওয়ে স্টেশন রোডের “নিউ রূপ মহল আবাসিক হোটেল”-এ পরিচালিত হয়।

অভিযানে হোটেলের পাঁচটি কক্ষ থেকে পাঁচজন নারীকে এবং একটি কক্ষ থেকে দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন—
১. তানভীর রায়হান (আসলাম)
২. রিয়াজ

তদন্তে উঠে আসে, আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এই হোটেল থেকে মাদক সরবরাহ ও অবৈধ দেহব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অভিযানের সময় তারা কক্ষে অবস্থান করে দরজা বন্ধ রাখে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দরজা ভাঙার উদ্যোগ নিলে তারা বাধ্য হয়ে আত্মসমর্পণ করে।

আটককৃতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তারা ৩,০০০ পিস ইয়াবা টয়লেটের কমোডে ফেলে ফ্লাশ করে দেয়। অভিযান শেষে র‍্যাব-১৪-এর কমান্ডার শামসুজ্জামান প্রেস ব্রিফিংয়ে ঘটনাটি তুলে ধরেন।

বিতর্ক ও তত্ত্ববাদ

এই অভিযানের পর থেকেই বিভিন্ন মহলে নানা তত্ত্ববাদ ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ কেউ দাবি করছেন, মাদক কারবারিরা প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা করে দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল, কিন্তু প্রতিযোগী গোষ্ঠীর চাপে পড়ে ধরা পড়েছে। আবার কেউ বলছেন, যেখানে প্রকৃত অপরাধীরা ধরা না পড়ে শুধুমাত্র ছোটখাট দালালদের ধরা হয়েছে। ক্রাইম রিপোর্টার  ও এনএসআই নজরদারিতে এই সফল অভিযান হয়েছে বলেও অনেকেই মনে করছেন।

এদিকে, স্থানীয়রা বলছেন, “নিউ রূপ মহল আবাসিক হোটেল” দীর্ঘদিন ধরেই অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল, কিন্তু যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়ায় এটি অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়।

আটককৃত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এই অভিযান সত্যিকার অর্থে অপরাধ দমন করবে নাকি শুধুমাত্র চুনোপুঁটিদের ধরেই সীমাবদ্ধ থাকবে—সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

গোয়েন্দা ও সেনাবাহিনীর অভিযানে দিশেহারা ভেজাল ব্যবসায়ীরা ময়মনসিংহে ভেজাল সেমাই কারখানায় অভিযান, জরিমানা ও ধ্বংস অভিযান

প্রতিবেদন: ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ বিলাল হোসেন (মানিক) 
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
গোয়েন্দা ও সেনাবাহিনীর অভিযানে দিশেহারা ভেজাল ব্যবসায়ীরা ময়মনসিংহে ভেজাল সেমাই কারখানায় অভিযান, জরিমানা ও ধ্বংস অভিযান

গোয়েন্দা ও সেনাবাহিনীর অভিযানে দিশেহারা ভেজাল ব্যবসায়ীরা
ময়মনসিংহে ভেজাল সেমাই কারখানায় অভিযান, জরিমানা ও ধ্বংস অভিযান

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর ঈশ্বরদিয়া এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ময়মনসিংহের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, সদর উপজেলা প্রশাসন ও বিএসটিআইয়ের যৌথ অভিযানে ধরা পড়লো ভেজাল সেমাই কারখানা। অস্বাস্থ্যকর, নোংরা পরিবেশে তৈরি মানহীন সেমাই উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগে কারখানার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানের সময় বেআইনি পন্থায় ব্যবহৃত প্যাকেটগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

গোয়েন্দা নজরদারিতে অসাধু ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক

গত তিনদিন আগে এই ভেজাল কারখানা নিয়ে একটি গোপন রিপোর্টের ভিত্তিতে এনএসআই গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। পর্যবেক্ষণের পর, আজ ০৯ মার্চ ২০২৫, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা ২০ মিনিট পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে এনএসআই-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে পুরো কারখানার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা

অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং নিশ্চিত করেন যে, কোনোভাবেই অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা পালাতে না পারে। সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, এবং অন্যান্য অসাধু ব্যবসায়ীরাও দ্রুত তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলে।

বেআইনি প্যাকেট পুড়িয়ে ধ্বংস

অভিযান শেষে বেআইনিভাবে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ প্যাকেট ও সামগ্রী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। স্থানীয় জনগণের সামনে এটি পুড়িয়ে ফেলা হয়, যাতে অন্য ভেজাল ব্যবসায়ীরা সতর্ক হয়।

এনএসআই-এর কড়া হুঁশিয়ারি

এনএসআই-এর কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন— এ ধরনের ভেজাল ও মানহীন খাদ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

অভিযান সম্পর্কে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,
“এতদিন আমরা জানতাম না, এই সেমাইগুলো এভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হয়। সেনাবাহিনীর অভিযানের কারণে এই কারখানার মালিকরা পালানোর সুযোগ পায়নি। আমরা চাই, এ ধরনের অভিযান চলতে থাকুক।”

শেষ কথা

এই অভিযানের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো যে, গোয়েন্দা সংস্থা ও সেনাবাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ভেজাল ব্যবসায়ীদের আর রেহাই নেই। এনএসআই, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সংস্থার এই যৌথ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন: ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ বিলাল হোসেন (মানিক) 

রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

রিকশাচালকের ছেলে থেকে কোটিপতি: শম্ভুগঞ্জে আজহারুল-আনারুলের রহস্যময় সম্পদের পাহাড়!

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ চরহরিপুর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে এক সময়ের দরিদ্র রিকশাচালকের দুই ছেলে মাত্র দুই-তিন বছরের মধ্যে কোটিপতির কাতারে পৌঁছেছে, যা এলাকাবাসীর কাছে বিস্ময়ের ও রহস্যের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রিকশাচালক আজিজুলের দুই ছেলে—বড় ছেলে আজহারুল ও ছোট ছেলে আনারুল—রহস্যজনকভাবে কয়েক বছরের মধ্যেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। অথচ মাত্র কয়েক বছর আগেও তাদের পরিবার দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত ছিল।

সংসারের অভাব থেকে রাতারাতি সম্পদের পাহাড়

আজহারুল আগে বাসের হেল্পার ছিলেন, আর আনারুল ছিলেন একজন বাউন্ডুলে, নেশাগ্রস্ত যুবক, যিনি একাধিকবার জেলও খেটেছেন। তাদের পরিবার এতটাই অভাবের মধ্যে ছিল যে তাদের মা একসময় এনজিও থেকে লোন নিয়ে তা পরিশোধ করতে না পারায় জেল খাটতে বাধ্য হন। সেই একই পরিবারের ছেলেরা কীভাবে এত দ্রুত কোটিপতি হলো, তা এখন এলাকাবাসীর প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চার-পাঁচ বছর আগে ঋণের বোঝা নিয়ে গ্রাম ছাড়তে হয়েছিল তাদের। তখন তাদের একমাত্র সম্পদ ছিল তাদের দাদা দুখু মিয়ার রেখে যাওয়া মাত্র ২.৫ শতাংশ জমি। কিন্তু আজ, এই পরিবার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক!

অল্প সময়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বর্তমানে আজহারুল ও আনারুলের নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পত্তির খবর পাওয়া গেছে, যা তারা মাত্র দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যেই ক্রয় করেছেন—

✅ শম্ভুগঞ্জের জুয়েল এসপির বাড়ির পাশে পাপ্পু নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ শতাংশ জমি
✅ মেইন রোডে সাধন নামের এক ভ্যানচালকের কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি
✅ কাশেম সরকারের কাছ থেকে বেশ কিছু জমি
✅ গুলু মিয়ার কাছ থেকে ৪৫ শতাংশ জমি
✅ হারুন নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে অতিরিক্ত কিছু জমি
✅ মেয়ের বিয়েতে দিয়েছেন ২০০ শতাংশ জমি
✅ ঢাকায় কিনেছেন একটি ফ্ল্যাট
✅ ময়মনসিংহ শহরের মধ্যেও একটি বাড়ি কিনেছেন
✅ ড্রাম ট্রাক ও বেকু ক্রয় করেছেন
✅ মাছের ফিশারি গড়ে তুলেছেন
✅ ছেলেদের শ্বশুরবাড়িতেও কিনেছেন প্রচুর পরিমাণ জমি ও বাড়ি

স্থানীয়দের দাবি, আজহারুল ও আনারুল কখনো বাজার থেকে মাছ কেনেন না, বরং তারা বিলের মাছই নিজেদের দখলে নিয়ে নেন। এমনকি তারা এলাকার সব মাছ বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

প্রশ্ন উঠছে আয়ের উৎস নিয়ে

তাদের এত দ্রুত ধনী হওয়ার রহস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের আয়ের উৎস কী? তারা কী ব্যবসা করে? আয়কর ও ভ্যাট দিচ্ছে কি না? এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দাবি করছেন, আজহারুল ও আনারুলের আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং সম্পদের বৈধতা তদন্ত করে দেখা হোক। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে, তারা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেছে কি না, তা তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

Oplus_131072

মুক্তাগাছায় পরিবহন চাঁদাবাজির পুরনো রূপে নতুন মুখোশ!

আওয়ামী লীগের ছত্রছায়া থেকে বিএনপি-যুবদলের অসাধু নেতাদের সঙ্গে আঁতাত, চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে সারাফত আলী!

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য যেন শেষ হওয়ার নাম নেই। অতীতে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চাঁদাবাজির একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মোহাম্মদ সারাফত আলী (পিতা: নইমুদ্দিন, ঠিকানা: পাড়া টুঙ্গি, দলুয়া বিল) এখনো সেই একই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এবার সে কৌশল বদলেছে—পুরনো রাজনৈতিক রং বদলে বিএনপি ও যুবদলের কিছু অসাধু নেতাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে আবারও পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছে।

একসময় আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায়, এখন বিএনপি-যুবদলের অসাধু নেতাদের সঙ্গে!

বিল্লাল হোসেন সরকার, ইদু, যদু, আরব আলী, মনিরের মতো বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত সারাফত আলী দীর্ঘদিন ধরে মুক্তাগাছার পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের মদদে সে তখন অবৈধভাবে অর্থ আদায়, শ্রমিক ও পরিবহন মালিকদের ভয়ভীতি দেখানোসহ নানা অপকর্ম করত। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় টিকে থাকতে এবার সে বিএনপি ও যুবদলের কিছু অসাধু নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক অভিযোগ করেছেন, সারাফত আলী এখন বিএনপির প্রভাবশালী কিছু নেতার ছত্রছায়ায় থেকে ঠিক আগের মতোই চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

পরিবহন খাতজুড়ে আতঙ্ক, সাধারণ শ্রমিক-মালিকরা বিপর্যস্ত

মুক্তাগাছার পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা বলছেন, সারাফত আলী ও তার গডফাদারদের কারণে তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। চাঁদা না দিলে গাড়ি চলতে দেওয়া হয় না, শ্রমিকদের মারধর করা হয়, এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

একজন পরিবহন শ্রমিক বলেন, “আমরা খেটে খাওয়া মানুষ, সারাদিন গাড়ি চালিয়ে যা আয় করি, তার বড় একটা অংশ চাঁদা দিতে হয়। না দিলে মারধর করা হয়, গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই অবস্থায় আমরা কোথায় যাব?”

প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এই চাঁদাবাজি চললেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেকে মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই সারাফত আলীর মতো চাঁদাবাজরা বারবার রঙ বদলে টিকে যাচ্ছে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকার পরিবর্তন হলে শুধু দল বদলায়, কিন্তু চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না। প্রশাসন যদি চায়, একদিনেই এসব বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু তারা নিরব ভূমিকা পালন করছে!”

জনদাবি: অবিলম্বে চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করুন!

মুক্তাগাছার সাধারণ জনগণ, পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত সারাফত আলীসহ তার চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে মুক্তাগাছার পরিবহন সেক্টর এক শ্রেণির চাঁদাবাজদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়বে, যা সাধারণ মানুষের চলাচল ও শ্রমজীবী মানুষের জীবিকাকে আরও কঠিন করে তুলবে।

প্রশাসন কি ব্যবস্থা নেবে, নাকি রাজনৈতিক আশ্রয়ে চাঁদাবাজরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে? মুক্তাগাছার মানুষ এখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে।

জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী

মোঃ মাফিজুল ইসলাম জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

ফা‌রহানা আক্তার, জয়পুরহাট : কেন্দ্র ঘোষিত নতুন কমিটি নিয়ে জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দু’পক্ষ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী পালন করেছে।কেন্দ্র ঘুষিত নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র সমন্বয়করা বুধবার দুপুরের জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
এসময় নতুন কমিটির আহ্বায়ক হাসিবুল হক সানজিদ, সদস্য সচিব মুবাশীর আলী শিহাব, সিনিয়র যুগ্ম সচিব নিয়ামুর রহমান নিবিড়,যুগ্ম সদস্য সচিব মোবাশ্বের হোসেন,মুখ্য সংগঠক এহছান আহমেদ নাহিদ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্র ঘুষিত নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত কমিটি একতরফা যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। আন্দোলনের সময় যারা আমাদের সাথে ছিলেন তারা এই কমিটিতে স্থান পেয়েছে।
অপরদিকে নতুন কমিটিতে পদবঞ্চিতরা শহরের শহীদ ডাঃ আবুল কাশেম ময়দানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধন চালাকালে বক্তব্য রাখেন, ছাত্র আন্দলোনের প্রতিনিধি বোরহান উদ্দীন, আশরাফুল ইসলাম,মোহাম্মদ সাকিল,রাকিব হাসান,শাহিন আলম,নাঈম হোসেন, সবুজ হোসেনসহ প্রমুখ।

এসময় তারা অভিযোগ করেন বিগত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যারা মাঠে ছিলেন না তারাই এই নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। এমনকি ছাত্রলীগ নেতা এই কমিটিতে স্থান পাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করে আন্দোলনের শরীক সকলকে সাথে নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করার আহ্বান জানান।

গফরগাঁওয়ে বিএনপির ইফতার মাহফিলে জনতার ঢল

নীরব হাসান
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ৩:৪৫ পূর্বাহ্ণ
গফরগাঁওয়ে বিএনপির ইফতার মাহফিলে জনতার ঢল

গফরগাঁওয়ে বিএনপির ইফতার মাহফিলে জনতার ঢল

নীরব হাসান

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ১৫ নম্বর টাঙ্গাব ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা এবং আগামীর বাংলাদেশ গঠনে তারেক রহমানের নির্দেশিত দেশ মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

বামুনখালি কালির বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য মরহুম আলহাজ্ব ফজলুর রহমান সুলতানের সুযোগ্য পুত্র জননেতা আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান।

সভাপতিত্ব করেন:
জনাব ইকবাল ই আলম ইকবাল

সঞ্চালনায় ছিলেন:
জনাব মেজবাহ উদ্দিন সোহাগ ও জনাব এম দেলোয়ার হোসেন মৃধা

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:

  • সেলিম আহমেদ – পৌর বিএনপি, গফরগাঁও
  • সৈয়দ সোহেল – যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদল
  • অজহারুল ইসলাম পারভেজ – গফরগাঁও উপজেলা শ্রমিকদল
  • নাজমুল হাসান এডিসন – গফরগাঁও উপজেলা যুবদল
  • জাহিদ হাসান মুকুট – যুবদল, পাগলা থানা
  • আরিফুজ্জামান সুমন – যুবদল, পাগলা থানা
  • আবদুল আল রায়হান অপু – সাধারণ সম্পাদক, গফরগাঁও উপজেলা ছাত্রদল

এছাড়া গফরগাঁও উপজেলা ও পাগলা থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতা-কর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নেতার আগমনে জনতার ঢল
অনেকদিন পর জননেতা মুশফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। তাঁকে একনজর দেখতে ও তাঁর বক্তব্য শুনতে হাজারো জনতা ভিড় জমায়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিএনপির নেতৃত্বে দেশ গঠনের সংগ্রাম চলছে এবং আগামীর বাংলাদেশ গঠনে তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দলীয় ঐক্য ধরে রাখতে হবে।

ইফতার পূর্ব দোয়া মাহফিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয় এবং দেশের মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালিত হয়।

ময়মনসিংহ নিষিদ্ধ পল্লী থেকে তরুণী উদ্ধার: সরদারনি লাভলীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহ নিষিদ্ধ পল্লী থেকে তরুণী উদ্ধার: সরদারনি লাভলীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

Oplus_131072

ময়মনসিংহ নিষিদ্ধ পল্লী থেকে তরুণী উদ্ধার: সরদারনি লাভলীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক ক্রাইম রিপোর্টার ময়মনসিংহ।

ময়মনসিংহের নিষিদ্ধ পল্লী থেকে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা এক তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার বউবাজার এলাকার মোছাঃ উম্মে,,,,,,,,,,(১৮) নামের এই তরুণীকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারীরা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সাত দিন আগে ছালমাকে চাকরির আশ্বাস দিয়ে ময়মনসিংহে নিয়ে আসা হয়। এরপর নিষিদ্ধ পল্লীর কুখ্যাত সরদারনি লাভলী তাকে জোর করে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করেন। এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন দালাল জড়িত রয়েছে, যারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মেয়েদের এনে এই পল্লীতে বিক্রি করে।

বিশ্বস্ত সূত্রে এই তথ্য পাওয়ার পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেন। মানবাধিকার সংগঠনের সভাপতি ও সাংবাদিক রহমান সাদেক এবং ময়মনসিংহ জেলার প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ বিল্লাল হোসেন মানিক কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।

উদ্ধারের পর ছালমার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা দ্রুত ময়মনসিংহ এসে মেয়েটিকে নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে। এ ঘটনায় সরদারনি লাভলী সহ দালাল চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে, এই চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

এ ঘটনার মাধ্যমে ময়মনসিংহের নিষিদ্ধ পল্লীতে গোপনে চলা মানব পাচার ও দেহ ব্যবসার ভয়াবহতা আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীরা।

নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন।।

নান্দাইল প্রতিনিধিঃ আঃ হান্নান আল আজাদ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন।।

নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন।।

নান্দাইল প্রতিনিধিঃ আঃ হান্নান আল আজাদ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। যথাযোগ্য মর্যদায় দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচীর গ্রহন করা হয়। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিনা সাত্তারের সভাপতিত্বে বুধবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও একত্রিশবার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির শুভ সূচনা করা হয়।

সকল শহীদদের স্মরণে নান্দাইল উপজেলা সদর কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কবর জিয়ারত করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান, নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর প্রধানগণ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

সকাল ৯টায় নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আর্দশ ডিগ্রী কলেজ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা তথা কবুতর অবমুক্ত করা হয়। পরে উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ভূইয়া, একাডেমিক সুপারভাইজার আনোয়ার হোসেন, উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা তনিমা রাণী ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী সহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহনে সম্মিলিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

পরে নান্দাইল উপজেলা হল রুমে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যগণের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এছাড়া সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা শেষে উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং উপজেলা সমাজ সেবা অফিসারের বাস্তবায়নে উপজেলা সদর হাসপাতাল, এতিমখানা ও শিশু সদনে উন্নতমানে খাবার পরিবেশন করা হয়।